আজ শনিবার সকালে ‘৫১তম জাতীয় সমবায় দিবসের’ অনুষ্ঠানে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। গণভবন থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন তিনি।

এ সময় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশকে আরও এগিয়ে নিতে জনগণকে একত্রিত করে সমবায় গঠনের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমাদের যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি যুব সমাজ এগিয়ে এসে সমগ্র গ্রাম ও মানুষকে এক করে সমবায়ের মাধ্যমে কার্যক্রম চালাতে পারে, তাহলে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারব। কারণ, সবারই একটা দায়িত্ব থাকবে।’

যুব সমাজকে চাকরির পেছনে না ছুটে বরং সমবায় গঠনের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন যেমন হাঁস-মুরগি পালন, মাছ চাষ ও অন্যান্য কাজে যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, সমবায়ের মাধ্যমে দেশ কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন করতে পারে।

সরকার কর্তৃক স্থাপিত ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আপনারা (যুব সমাজ) সেখানে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানা স্থাপন করতে পারেন, যা শুধু স্থানীয় চাহিদাই মেটাবে না, বিদেশেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে।’

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। এতে শুরুতে জাতীয় সমবায় দিবসের একটি ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানে মোট ৯টি সমবায় সমিতি এবং এক ব্যক্তিকে জাতীয় সমবায় পুরস্কার ২০২১ প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।