এইচআরএফবি বলছে, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারা ২০১৮ সালে বাতিল হয়েছে। এর অধীনে দায়ের করা মামলায় এভাবে এত দিন পর কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়াটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না এবং কীসের ভিত্তিতে তাদের স্বাধীনতা খর্ব করা হলো, সে বিষয়ে প্রশ্নের উদ্রেক করে। একই সঙ্গে এমন ঘটনা গণমাধ্যমকে চাপে ফেলবে। তথ্য ও সংবাদ প্রকাশে আত্মনিয়ন্ত্রণারোপ বাড়াবে। মানুষের ভীতি বাড়িয়ে দেবে। এ ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, ৫৭ ধারা বা এর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ যেকোনো আইন বা ধারা স্বাধীন গণমাধ্যম, অবাধ তথ্য প্রকাশ, গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকারের জন্য মোটেও উপযোগী নয়।

আদালত ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এ ধরনের সিদ্ধান্তের সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিবেচনায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে এইচআরএফবি।

সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলামের ছেলেকে নিয়ে দীপ্ত টিভিতে একটি সংবাদ প্রকাশের জেরে ছয় বছর আগে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে করা মামলায় কাজী জাহেদুলসহ চারজন সোমবার সকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক জহিরুল কবির শুনানি নিয়ে বেলা একটার দিকে চারজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর ঘণ্টা তিনেক পর অসুস্থতা বিবেচনায় নিয়ে জাহেদুল হাসানের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। বাকি তিনজনের জামিন শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য রাখেন। মঙ্গলবার দীপ্ত টিভির পরিচালক কাজী জাহিন হাসান ও রাবেত হাসান এবং চিফ অপারেটিং অফিসার কাজী উরফী আহমদের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন