রাখাইন রাজ্যে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে সেখানকার সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির দুই মাস ধরে তুমুল লড়াই চলছে। দুই পক্ষের লড়াইয়ের জেরে গত শুক্রবার মিয়ানমারের দিক থেকে ছোড়া মর্টারের গোলায় এক রোহিঙ্গা কিশোর নিহত ও কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।

এ সময় আসাদুজ্জামান খান বলেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও সেখানকার সশস্ত্র বাহিনী আরাকান আর্মির মধ্যে বিরোধ চলছে। এর জেরে তারা একে অপরকে গুলি ছুড়ছে বলে আমরা শুনেছি। সেসব গুলির দু–একটা আমাদের দেশে এসে পড়ছে। এতে আমাদের একজন মারা গেছেন ও কয়েকজন আহত হয়েছেন‌। এ জন্য আমরা মিয়ানমারকে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি।

সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছি। মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছে বিজিবি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি। কাজ না হলে বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘে যাব।’

গতকাল ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিবও বলেছিলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দুই পক্ষের সংঘাতের রেশ যাতে কোনোভাবে বাংলাদেশে না আসে, সে ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বাড়তি জনবল নিয়োগ করতে হলে বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন