চারজনকে আটকের পর আধা ঘণ্টা নাইটিঙ্গেল মোড়ে অবস্থান নেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।‌ বেলা সোয়া তিনটা থেকে আবারও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেন তাঁরা। এ সময় ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশ সফল করতেও স্লোগান দেন নেতা-কর্মীরা।

একপর্যায়ে বিএনপির আরও নেতা-কর্মী স্লোগান দিতে জড়ো হন। তাঁদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে বিকেল পৌনে চারটার দিকে পুলিশ সদস্যরা তাঁদের ওপর চড়াও হয়ে ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ।‌ পরে ধাওয়া দিয়ে মিছিলকারীদের বিজয়নগর পানির ট্যাংকের দিকে সরিয়ে দেন।

এ সময় নাইটিঙ্গেল মোড় ও বিজয়নগর এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। দোকানিরা তাড়াহুড়ো করে দোকান বন্ধ করেন। মানুষ দিগ্‌বিদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন। তবে এ দফায় পুলিশ কাউকে আটক করেনি।
পরে ফকিরাপুল মোড়ে বিএনপির কিছু নেতা-কর্মী জড়ো হন। এ সময় ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা তাঁদের ধাওয়া দেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী দুজন গণমাধ্যমকর্মী প্রথম আলোকে জানিয়েছেন।

এদিকে বিক্ষোভকারীরা বলছেন, নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশ বোমা রেখে। এখন এর দায় বিএনপিকে চাপাচ্ছে। দিনভর রাস্তা বন্ধ করে আবার নতুন নাটক সাজাচ্ছে।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

পল্টনে বিএনপি নেতা–কর্মীদের ওপর পুলিশের গুলির প্রতিবাদে ফরিদপুরে বিক্ষোভ

নয়াপল্টন ‘ক্রাইম জোন’ চিহ্নিত, সাংবাদিকদেরও যেতে দিচ্ছে না পুলিশ

‘জামায়াতমুক্ত’ করার রাজনৈতিক প্রকল্প যে পরিণতি পেল

‘ক্ষমতায় টিকে থাকতে সব সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন করছে সরকার’