উত্তরা ইউনিভার্সিটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আজ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য আবিদ আজিজের নেতৃত্বে একটি দল বাড়িতে গিয়ে (তুরাগের রাজাবাড়ি) বীথি আক্তার ও তাঁর মা রোকসানা আক্তারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বীথিকে ইংরেজি বিভাগে ৪ বছর মেয়াদি অনার্স প্রোগ্রামে বিনা মূল্যে পড়াশোনা করার ব্যবস্থা করেছেন তিনি।

বীথি আক্তার আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ‘উত্তরা ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ বাসায় এসে ভর্তির জন্য সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছে। তারা বলেছে, সব ধরনের সহযোগিতা করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তবে বাবাকে হারানোর যে ক্ষতি, সেটা তো আর পূরণ হবে না। আমার বাবা নেই, তাই আমি পৃথিবীর সবচেয়ে গরিব।’

default-image

গত শনিবার দুপুরে বাবার কাছ থেকে ১২ হাজার ৮০০ টাকা নিয়ে উত্তরা ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হতে গিয়েছিলেন বীথি। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে যখন টাকা জমা দেবেন, তখনই মুঠোফোনে জানতে পারেন বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়েছেন বাবা। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হয়েই ছুটে যান হাসপাতালে। রাতেই ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বাবা। তাঁর দাফনে ব্যয় হয়ে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য বাবার দেওয়া সেই টাকা। আকস্মিক বাবাকে হারানোয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্নটাও উবে যায় বীথির।

বীথি আক্তারের বাবা ঢাকার তুরাগের রাজাবাড়ি এলাকায় ভাঙারি দোকানে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে মারা যান। শনিবার দুপুরের ওই বিস্ফোরণে মাজহারুলসহ আটজন দগ্ধ হন। তাঁদের মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। মাজহারুল ছিলেন ওই দোকান ও গ্যারেজের মালিক।

রাজধানী থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন