ফতুল্লায় গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় একটি বাড়িতে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ পোশাকশ্রমিক সুখী আক্তার মারা গেছেন। আজ সোমবার ভোরে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় দগ্ধ আরও চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক এস এম আইউব হোসেন প্রথম আলোকে বিষয়টি জানিয়েছেন।
চিকিৎসক এস এম আইউব হোসেন বলেন, সুখী আক্তারের (২৫) শরীরের ৯৮ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। তাঁর স্বামী দগ্ধ আল আমিনের (৩০) শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া রফিক মিয়ার (৩৫) শরীরের ৯২ শতাংশ পুড়ে গেছে। অপর দুজন আলেয়া বেগম (৬০) ও জামাল হোসেনের (৪৫) শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে।
গত রোববার বেলা একটার দিকে ফতুল্লার রামারবাগ এলাকায় দোতলা বাড়ির নিচতলার গ্যাসের লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ আল আমিনের চাচাতো ভাই মো. রাসেল প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ভাই আল আমিন ও তাঁর স্ত্রী সুখী আক্তার রামারবাগ এলাকায় দোতলা একটি বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকেন। তাঁরা দুজনই তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। গতকাল রোববার সকালে তাঁরা কর্মস্থলে চলে যান। দুপুরের বিরতিতে বাসায় খাবার খেতে এসে তরকারি গরম করতে চুলা জ্বালানোর সময় বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের সময় তাঁদের শরীর আগুনে পুড়ে যায়।
রাসেল আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে গ্যাসের পাইপলাইনের লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। আল আমিন ও সুখী আক্তারের সঙ্গে দগ্ধ হয়েছেন পাশের কক্ষের আলেয়া বেগম, রফিক ও জামাল হোসেন।
দগ্ধ সবাইকে বেলা আড়াইটার দিকে গতকাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।