ঢাকা উত্তরের মেয়র আরও বলেন, ‘আমরা সাধারণত কি-নোট স্পিকার দেশের বাইরে থেকে কাউকে নিয়ে আসি। আমরা অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় তারাই এখন আমাদের নিমন্ত্রণ জানাচ্ছে। এত চ্যালেঞ্জ আর সীমাবদ্ধতার মধ্যে আমরা কীভাবে অ্যাওয়ার্ড অর্জনের কাজগুলো সফলভাবে করতে পেরেছি, সেসব তারা শোনতে চাচ্ছে।’

১৯ অক্টোবর আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেসে অনুষ্ঠিত সি-৪০ সম্মেলনে মেয়র আতিকুল ইসলামের হাতে ‘ব্লুমবার্গ অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ পুরস্কার তুলে দেন সি-৪০–এর চেয়ারম্যান লন্ডনের মেয়র সাদিক খান।

পুরস্কার পাওয়ায় দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘যখন কেউ কোনো পুরস্কার পায়, সবার চোখ কিন্তু সেদিকে আরও বেশি যায়। এখন আমাদের আরও বেশি বেশি কাজ করতে হবে। এ জন্য নগরবাসীর সহায়তা প্রয়োজন।’

মোহাম্মদপুরের লাউতলা খালের উদাহরণ দিয়ে মেয়র বলেন, ‘আমরা প্রকৃতিনির্ভর সমাধানকে গুরুত্ব দিচ্ছি। লাউতলা খালের জায়গা বেদখল হয়ে গিয়েছিল। সেখানে ট্রাক রাখা হতো। সেটা দখলমুক্ত করে খাল খনন করা হয়েছে। পাড়ে ও খালি জায়গায় দুই হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। ওই জায়গায় গিয়ে মানুষ এখন বুক ভরে নিশ্বাস নিতে পারছে।’

সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে রাজধানীতে হওয়া টানা বৃষ্টির কথা উল্লেখ করে আতিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ঢাকায় ২৫৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা যেভাবে খাল উদ্ধার, খনন ও নালা পরিষ্কারের কাজ করেছি, সেটা না করলে আজ (শনিবার) ঢাকা পানির নিচে ডুবে থাকত।

পুরস্কার ঘোষণার সময় বাংলাদেশ ও ঢাকা উত্তর সিটির নাম শোনে প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না জানিয়ে ঢাকা উত্তরের মেয়র বলেন, ‘জুরিবোর্ডের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে আমাদের পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বিরাট অর্জন। এ অর্জন আমি নগরবাসীর জন্য উৎসর্গ করলাম।’

সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান, কাউন্সিলর ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।