শাহির নিঝুম বলেছেন, ‘ক্রমাগত নিরবচ্ছিন্ন লোডশেডিংয়ের কারণে গত মাসে বিদ্যুৎ বিল কম এসেছে। আশা করছি, ভবিষ্যতে এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। ধন্যবাদ আমাদের অর্থ সাশ্রয়ী করে সোনালি অতীত ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।’

‘এখন লোডশেডিং হলে আতঙ্কে মনে হয় “জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়” শুরু হলো নাকি আবার? তখন মনে হয়, তার চেয়ে লোডশেডিংই থাকুক’—এ মন্তব্য মো. আশিক হোসেইন নামের এক পাঠকের।

মুহাম্মদ নাজমুল বলেছেন, ‘আমার বাসায় কোনো লোডশেডিং হয় না। বিদ্যুৎ চলে গেলে পদ্মা সেতুর ছবি দেয়ালে টাঙিয়ে দিই। ওইখান থেকে উন্নয়নের আলো এসে পুরো ঘরকে আলোকিত করে তোলে।’

জাকারিয়া সুমন বলছেন, ‘লোডশেডিং দিনে ১৬ ঘণ্টা করা হোক। আমাদের মতো দেশে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুতের বিলাসিতা মানায় না। জনগণ হাজার বছরের ঐতিহ্য হারিকেন, কুপির কথা ভুলতে বসেছে। যারা ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ চায়, তাদের পদ্মা সেতু থেকে ফেলে দেওয়া হোক।’

আল আমিন মুন্না বলেন, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ একেবারে বন্ধই করে দেন; অন্তত আমজনতা বুঝবে, যা নেই, তার আশা করা অর্থহীন।’

সঞ্জীব হাসান বলেছেন, ‘সারা দিন যদি বিদ্যুৎ না-ও থাকে, আমাদের কিছু করার আছে?’
মো. মেহেদী হাসান বলছেন, ‘কমিটমেন্ট ছিল প্রতি দিন দুই ঘণ্টা, তা বেড়ে আট ঘণ্টায় থামবে তো?’

আবদুল হাদি পারভেজ, ‘খাম্বা নিয়ে তো বহু কথা শুনেছি, এখন মাথায় করে ফেরি করা বিদ্যুৎ গেল কই? আমরা বোধ হয় তার কথার গুরুরহস্য বুঝিনি।’

এম এ জিন্নাহ বলেন, ‘ওই দিন বলেছিলাম না, লোডশেডিং দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করলে তাকে ফুল স্যালারি দিতে হবে! কারণ, লোডশেডিং এখন প্রবেশন পিরিয়ড শেষ করে পারমানেন্ট হয়েছে!’

মো. মহীউদ্দিন বলেন, ‘ব্যাপক হারে সোলার পদ্ধতির প্রচলন থাকলে লোডশেডিং হলেও অসুবিধা হতো না।’

নুর উল ইসলাম বলেছেন, ‘উন্নয়নের জোয়ার এখন জাদুঘরে। বিদ্যুতের ঝলক বন্দী কারাগারে।’

হাসান শেখ বলেছেন, ‘কথায় সেরা বাঙালি! যতই আমরা ডিজিটাল হচ্ছি, ততই বিভিন্ন খাত থেকে বিপর্যয়ের পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে!’

আরেফিন হাসান বলেছেন, ‘আমাদের এখানে বিদ্যুৎ কখনোই যায় না, মাঝেমধ্যে বেড়াতে আসে।

মো. জয়নাল আবেদিন লেখেন, ‘রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে হতে পারে অথবা বিরোধী দলের অপরাজনীতির কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। এটাই শুনতে হবে কিছুদিন পর। জনগণ এটাও হজম করে নেবে।’

মাসুদ পারভেজ বলছেন, ‘বিদ্যুৎ দিয়ে কী হবে, আমাদের পদ্মা সেতু আছে আর অনেক উন্নয়ন আছে।’

মো. নাজমুস সাদাত বলেছেন, ‘অসম্ভব সুন্দর লোডশেডিং! লোডশেডিং এখন আত্মার সঙ্গে মিশে গেছে। লোডশেডিং ছাড়া ভালোই লাগে না।’
তুষার আহমেদ বলেছেন, ‘শ্রীলঙ্কা হতে কত দেরি পাঞ্জেরি?’

তাসলিমা জান্নাত বলেছেন, ‘আট ঘণ্টা লোডশেডিং হলে সেটাকে রাজধানী বলে? এর থেকে গ্রাম ভালো আছে।’

শাহেদা আলম নামের পাঠক ফেসবুকে লিখেছেন, ‘মোমবাতি বিক্রেতারা ভাতে মরছে। ওদের কিছু বেচাকেনা হোক। হাতপাখা কেউ বিক্রি করলে বলবেন, নেব।’

লুৎফর রহমান নামের এক পাঠক মন্তব্য অংশে বলেছেন, ‘অন্ধকারের হাত থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো ভেন্নাগাছের চারা ও ভেন্না ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা।’
মফিজ নামের মন্তব্যকারী লিখেছেন, ‘অন্ধকারে উন্নয়ন আর দেখা যাচ্ছে না।’