প্রায় চার ঘণ্টা পর ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় ছাড়লেন জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের অবস্থানছবি: সাজিদ হোসেন

প্রায় চার ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল মোড় ছেড়েছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) খোদা বখস চৌধুরীর পদত্যাগের দাবিতে তাঁরা সেখান অবস্থান নিয়েছিলেন।

এর আগে আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাব–সংলগ্ন সড়কে ‘শহীদ পরিবার, আহত পরিবার ও ছাত্র-জনতা’ ব্যানারে কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা। বেলা একটার দিকে আন্দোলনকারীরা সেখান থেকে মিছিল নিয়ে বাংলামোটরে যান। সেখানে কয়েক ঘণ্টা অবস্থান করেন। পরে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে তাঁরা বাংলামোটর থেকে ঘুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে তাঁরা ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল মোড়ে অবস্থান নেন। এ সময় কিছুটা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত তাঁরা সেখানে অবস্থান নেন।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। তাই দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

তখন জুলাই অভ্যুত্থানে আহত শেখ মুস্তাফিজ রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ৫–৭ মিনিট সড়ক অবরোধ করে। এরপর তাঁরা জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সড়কের পাশে অবস্থান নেন।

এর আগে ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মুন্সিগঞ্জের শহীদ সজলের ভাই সেলিম মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেছিলেন, দাবি না মানা পর্যন্ত তাঁরা ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান করবেন।

আরও পড়ুন

প্রেসক্লাবের কাছের সড়কে কর্মসূচি চলাকালে জুলাই শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা বলেন, হত্যাকারীদের এখনো গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। আবার হত্যা মামলার আসামিরা জামিন পাচ্ছেন। সম্প্রতি শহীদ পরিবারের সদস্যদের ওপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এসব কারণে তাঁরা আসিফ নজরুল ও খোদা বখস চৌধুরীর পদত্যাগ দাবি করছেন।