এ বক্তব্য বিশ্বাসযোগ্য মনে না হওয়ায় আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, তানিয়া আক্তার চট্টগ্রাম হোমিওপ্যাথিক কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। পাশাপাশি আনোয়ার হোসেনের ওষুধের দোকানে খণ্ডকালীন কাজ করতেন।

আনোয়ার হোসেন পুলিশকে জানিয়েছেন, গত শনিবার রাতে তানিয়ার পেটব্যথা শুরু হয়। তাঁকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তানিয়ার ওড়না অটোরিকশার পেছনের চাকার সঙ্গে পেঁচিয়ে যায়। তানিয়াকে প্রথমে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকেরা তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। রোববার ভোরে চিকিৎসক তানিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। তানিয়ার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন এলাকায়।

আনোয়ারের এসব তথ্য বানোয়াট মনে হয়েছে পুলিশের কাছে। এ কারণে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলে জানান ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কবিরুল ইসলাম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আনোয়ার যা দাবি করেছেন, তা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। তাই তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার লাশের ময়নাতদন্ত করা হবে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন