default-image

বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে সংগঠনের শৃঙ্খলাপরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে। জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাকবীর ইসলাম খান হত্যাকাণ্ডের পর এই সিদ্ধান্ত এল।

আজ মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আবদুর রউফকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। রউফ ছাত্রলীগ নেতা তাকবীর ইসলাম খানের ওপর হামলা মামলার প্রধান আসামি। তিনি বর্তমানে পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

আবদুর রউফকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার রায়। তিনি বলেন, জেলা কমিটি আবদুর রউফের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠানো হয়েছিল। সেই মোতাবেক মঙ্গলবার রাতে তাঁকে কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এদিকে তাকবীর ইসলাম খানের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা আরেক ছাত্রলীগ নেতা জেলা ছাত্রলীগের সদস্য জাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা।

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাকিব হাসান বলেন, শহরের সাতমাথায় গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জনসমক্ষে ছাত্রলীগ নেতা তাকবীর ইসলাম খানের ওপর হামলা করেন ছাত্রলীগ নেতা আবদুর রউফ, জাহিদ হাসান ও তাঁদের সহযোগীরা। শুধু আবদুর রউফকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করলে হবে না। অপর আসামি জাহিদ হাসানকেও সংগঠন থেকে বহিষ্কার করতে হবে। তাঁদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবারের ঘটনায় থানায় দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলা করেছে। তাকবীরকে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন তাঁর মা আফরোজা ইসলাম। তাকবীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় এখন সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের জন্য আদালতে আবেদন করবে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন