উৎসবে দুই সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী আলোক নৃত্য, বাঁশখেলা, বাঁশি বাজানো, খিংখং বাজনা ও খিংখিলি গানও পরিবেশিত হচ্ছে প্রতিদিন। কক্সবাজার জেলা আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মং থে হ্লা প্রথম আলোকে বলেন, পাহাড়ি এলাকা লম্বাখোলা, হরিখোলা, তেলখোলা গ্রামে অন্তত ২৫ হাজার চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের বসবাস। পাহাড়ে জুমচাষ করে চলে তাঁদের সংসার। করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর বর্ষবরণের উৎসব হয়নি। এর আগে মাত্র তিনবার এই পল্লিতে সীমিত আকারে বর্ষবরণের উৎসব হয়েছিল। এবার কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র দুই সম্প্রদায়ের লোকজনকে বর্ষবরণ উৎসব উদ্‌যাপনের সুযোগ করে দিয়েছে। আগামীকাল রোববার সন্ধ্যায় শেষ হবে উৎসব।

এই উৎসবে অংশ নেওয়া তরুণী লাকি মে চাকমার (২২) সঙ্গে কথা হয়। এ সময় তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রচণ্ড গরম উৎসবের আমেজ বাড়িয়ে দিয়েছে। তা ছাড়া আগে পৃথকভাবে হলেও এবার চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা একসঙ্গে উৎসব উদ্‌যাপন করছি। বিদায়ী বছরের সব দুঃখ-গ্লানি পানিতে ভাসিয়ে দিয়ে নেচে-গেয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি।’

উৎসবে অংশ নেওয়া তরুণ অং তঞ্চঙ্গ্যা (২৩) পড়ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে। তিনি বলেন, ‘শৈশবে এলাকায় এমন জমকালো উৎসব দেখেছি। আগামী দিনেও এ রকম উৎসবের মাধ্যমে নিজেদের ঐতিহ্য তুলে ধরতে চাই।’

এর আগে গতকাল দুপুরে উৎসবের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জাহিদ ইকবাল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন