বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বিকেলে শেরপুর উপজেলা সদরে একটি এনজিওতে মিটিংয়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন রেশমা খাতুন। মিটিং শেষে রায়গঞ্জের ধানঘরা বাবার বাড়িতে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু এর পর থেকেই রেশমার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনার পাঁচ দিন পর ধানখেত থেকে তাঁর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

মথুরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন-অর রশিদ বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার সবশেষ রেশমার সঙ্গে দেখা হয়েছে। এরপর আর দেখা হয়নি। রেশমাকে কারা, কেন খুন করেছে, আমি কোনো কিছুই ধারণা করতে পারছি না।’

ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, আজ বেলা ১১টার দিকে রেশমার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে রেশমার ভাই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। এ ঘটনায় আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন