এআই ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তর লিখছিলেন পরীক্ষার্থী, পরে বহিষ্কার
প্রশ্নপত্র দেওয়ার পর লুকিয়ে সেটির ছবি তুলে নেন এক পরীক্ষার্থী। পরে সেই ছবি মুঠোফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অ্যাপে দিয়ে জেনে নেন উত্তর। পরে পরীক্ষার হলে বসেই সেই উত্তর দেখে নকল করছিলেন তিনি। পরে কেন্দ্র পরিদর্শকের কাছে ধরা পড়ায় মুঠোফোন সঙ্গে রাখা এবং নকল করার অপরাধে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।
আজ সোমবার চট্টগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষায় সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী নগরের একটি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। আজ পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র এবং খাদ্য ও পুষ্টি প্রথম পত্রের পরীক্ষা ছিল।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, নগরের একটি কলেজের মানবিক বিভাগের এক পরীক্ষার্থী মুঠোফোনসহ ধরা পড়েন। তিনি মুঠোফোন থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে নকল করছিলেন। পরে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। মুঠোফোনটিও জব্দ করা হয়েছে।
বোর্ডের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই ৫ জেলার ১১৪টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৭৭ হাজার ৫৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৫ হাজার ৭৩১ জন উপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ৮২৫ জন। চট্টগ্রাম জেলায় অনুপস্থিতির সংখ্যা ১ হাজার ২০২ জন। এ ছাড়া কক্সবাজারে ২৬৩ জন, খাগড়াছড়িতে ১৫৪ জন, রাঙামাটিতে ১০৯ জন ও বান্দরবানে ৯৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা এবং পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনায় ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের বাকি পরীক্ষা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছিল। অবশ্য এর আগে ৮ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত ছিল। তবে এ সময় দেশের অন্য সব শিক্ষা বোর্ডে পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা অব্যাহত ছিল।