২৬ জুলাই বেলা ১১টার দিকে ওসমানীনগরের তাজপুর এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার কক্ষ থেকে দরজা ভেঙে রফিকুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী হোসনারা বেগম (৪৫), ছেলে সাদিকুর রহমান (২৫), মেয়ে সামিরা ইসলাম (২০) ও ছোট ছেলে মাইকুল ইসলামকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছিল পুলিশ। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর রফিকুল ইসলাম ও মাইকুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।

বর্তমানে রফিকুলের স্ত্রী হোসনারা বেগম, ছেলে সাদিকুর রহমান ও মেয়ে সামিরা ইসলাম সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁদের মধ্যে সামিরার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁরা তিনজনই হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে রয়েছেন। গতকাল দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে তাঁদের খোঁজখবর নিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত রহস্য উদ্‌ঘাটন হবে।

নিহত দুজনের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও সংগ্রহ করা বিভিন্ন আলমত পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। পুলিশের এক কর্মকর্তা বলছেন, সংগ্রহ করা আলমতগুলোর মধ্য থেকে আশা করা যাচ্ছে কোনো ‘ক্লু’ উদ্‌ঘাটিত হবে। এ ছাড়া প্রবাসীদের স্বজন এবং যে বাড়িতে ভাড়া ছিলেন, সেখানে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

ওসি এস এম মাঈন উদ্দিন বলেন, বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় নিহত ব্যক্তির শ্যালক বাদী হয়ে অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক কিংবা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন