শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার গোবিন্দপুর এলাকায় আল-ইমরানকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ওই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

জেলা পুলিশের মুখপাত্র সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান লালন প্রথম আলোকে বলেন, কেন ও কীভাবে আল-ইমরানকে হত্যা করা হয়েছে, এ ঘটনায় কে কে জড়িত—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন মাসুদ রানা।

জবানবন্দি গ্রহণ শেষে মাসুদ রানাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আনিসুজ্জামান লালন। তিনি বলেন, ঘটনার দিন শুক্রবারই পুলিশ নিশ্চিত হয়, এ খুনের ঘটনায় মূল হোতা মাসুদ রানা। তিনি ও তাঁর সহযোগী সাকিব (২৩) মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আল-ইমরানকে কুপিয়ে হত্যা করেন। খুনের আগে একজন তাঁদের মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে নামিয়ে দিয়ে যান।

আনিসুজ্জামান লালন বলেন, গ্রেপ্তারের পর মাসুদ রানা পুলিশকে জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলে পৌঁছে দেওয়া ব্যক্তিকে তিনি চেনেন না। তবে ওই মোটরসাইকেলচালক মাসুদের সহযোগী সাকিবের পরিচিত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। সাকিবকে গ্রেপ্তার করতে পারলে মোটরসাইকেলচালকের পরিচয়সহ এ ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।

এদিকে আল-ইমরানের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে আজ বিকেলে আলমডাঙ্গা শহরের এরশাদ মঞ্চে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। এছাড়া সন্ধ্যায় আলমডাঙ্গা শহরে প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, জেলা জাসদের সভাপতি সবেদ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মালেক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ওবায়দুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ। মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে হবে।