জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, মঞ্চ নির্মাণ কিংবা অন্য কোনো প্রচার-প্রচারণায় আজ পুলিশ কোনো বাধা দেয়নি। বিএনপির নেতা-কর্মীরা গণসমাবেশ সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। মঞ্চ নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। আজ সন্ধ্যায় জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের সমাবেশস্থল পরিদর্শন করার কথা আছে।

এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর ও বরিশালে বিএনপির পাঁচটি বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী শনিবার ফরিদপুরে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৯ নভেম্বর সিলেট বিভাগীয় গণসমাবেশ হবে।

আজ বিকেলে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরীর উদ্যোগে গণসমাবেশ সফল করতে মিছিল বের করা হয়। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মী অংশ নেন। মিছিলটি নগরের কোর্ট পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে আম্বরখানা এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

বেলা ১১টায় ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির পক্ষ থেকে নাইওরপুল, সোবহানীঘাট, যতরপুর, মিরাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রচার–মিছিল ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউল গণি আরেফিন ও নজিবুর রহমান, সদস্য নুরুল আলম সিদ্দিকী, ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক ইফতেখার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মহানগরের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে দুপুর ১২টায় দরগামহল্লা এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী, ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির টিমের প্রধান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।