আট আসামি হলেন রাব্বি ইসলাম, ফরিদুল ইসলাম, বাদশা ওরফে ববিতা বড়ুয়া, আবদুল জলিল, দিল মোহাম্মদ, আবদুর রহমান, আকলিমা আক্তার ও মো. ইব্রাহিম। গত শনিবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে ছিনিয়ে নেওয়া দুই মাদক ব্যবসায়ীর হদিস এখনো পায়নি পুলিশ।

শনিবার নগরের কালুরঘাট পুলিশ ফাঁড়ি এলাকা থেকে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন শরীফ ও মোহাম্মদ হানিফ নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার ইয়াবা বড়িসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হানিফের অনুসারীরা কালুরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির সামনে জড়ো হতে থাকেন। আসামি হানিফ ও মহিউদ্দিনকে ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁদের অনুসারীরা ফাঁড়িতে ইটপাটকেল ও গুলি ছুড়তে থাকেন। একপর্যায়ে হামলাকারীরা দুই আসামিকে ছিনিয়ে নেন। হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। হামলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ। এ সময় নাজমা আক্তার নামের এক নারী গুলিবিদ্ধ হন। সেদিন রাতেই নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান। পুলিশ সূত্র জানায়, নাজমার কোমরের ডান পাশে গুলি লেগেছিল।

এদিকে পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় শনিবার রাতে কালুরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক শরীফ রোকনুজ্জামান বাদী হয়ে চাঁদগাঁও থানায় মামলা করেন। এতে মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হানিফ, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন শরীফসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় ২১০ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় হানিফ ও শরীফকে আসামি করে আরেকটি মামলা করে পুলিশ। এতে বলা হয়, পুলিশের ওয়াকিটকি ও একটি মুঠোফোন লুট হয়। সোমবার মৌলভীবাজার থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ওয়াকিটকিটি উদ্ধার করে পুলিশ।