ওই কারখানার শ্রমিক ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সকালে আজাদুলসহ কয়েকজন শ্রমিক একসঙ্গে কারখানায় যাচ্ছিলেন। সকাল আটটার দিকে চন্দ্রা এলাকায় দ্রুতগতির একটি ট্রাক আজাদুলসহ কয়েকজন শ্রমিককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আজাদুলের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আরও তিন শ্রমিক আহত হন। তৎক্ষণাৎ স্থানীয় লোকজন আজাদুলকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এদিকে দুর্ঘটনার পরপরই শ্রমিকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে দুর্ঘটনাকবলিত ওই ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় শ্রমিকদের একাংশ মহাসড়কে যানজটে আটকে থাকা অর্ধশতাধিক যানবাহনে ভাংচুর চালান। এতে মহাসড়কের দুই দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

কোনাবাড়ী হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে কালিয়াকৈর পৌরসভার মেয়র মজিবুর রহমান, কালিয়াকৈর থানার ওসি আকবর আলী খানসহ কারখানার কর্মকর্তারা শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তির পরিবারকে চার লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই স্থানে কারখানা শ্রমিক ও জনসাধারণের জন্য পদচারী-সেতু নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পরে শ্রমিকেরা এ সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা ওই ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। পরে স্থানীয় লোকজনের চেষ্টায় আগুন নেভানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।