নিহত ব্যক্তির বাবা এস এম শামীম জানান, তাঁর ছেলে রেজওয়ানুর ও বন্ধু মাহিম স্টুডিওতে গিয়ে এসির সুইচ অন করা মাত্র বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে রেজওয়ানুর ও বন্ধু মাহিম দগ্ধ হন। রেজওয়ানুরের শরীরের ৪৫ শতাংশ ও মাহিমের ১০ শতাংশ পুড়ে যায়। স্টুডিওতে লাগানো এসিটা পুরোনো ছিল। এ কারণে হয়তো বিস্ফোরণ হয়।

শামীম আরও বলেন, বিস্ফোরণে জানালার কাচ উড়ে গিয়ে তিনিসহ পরিবারের আরও চারজন আহত হন। ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় রেজওয়ানুর ও মাহিমকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গতকাল রেজওয়ানুর মারা যান।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিজাউল হক বলেন, এসি বিস্ফোরণে দগ্ধ রোগীদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। অপরজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।