ভোর থেকে শহরের সদর রোডের মহাজন পট্টি এলাকায় জেলা বিএপির কার্যালয়ের সামনে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা–কর্মীরা সেখানে জড়ো হয়ে স্লোগান দিচ্ছেন। এ ছাড়া কালীনাথ রায়েরবাজার ও মুসলিম পাড়া এলাকায় বিএনপির নেতা–কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে সকাল ১০টা পর্যন্ত শহরে বড় কোনো মিছিল দেখা যায়নি।

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের সেলিম অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত রোববার দুপুরে বিএনপির শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে কোনো কারণ ছাড়াই পুলিশ অতি উৎসাহী হয়ে গুলি চালিয়েছে। এতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য আবদুর রহিম ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলম নিহত হয়েছেন। শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনার বিচার ও প্রতিবাদ চেয়ে এই হরতাল পালিত হচ্ছে। ভোলার সব মানুষ এ আন্দোলন পালন করছেন। এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে যাবে। এ আন্দোলন থেকে সরকার পতনের ডাক দেওয়া হবে।

default-image

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মাঠে আছেন। তাঁরা গাড়ির চালকদের বুঝিয়ে গাড়ি বন্ধ রেখেছেন। সাধারণ জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতাল পালন করছেন। তাঁরা দোকানপাট খোলেননি।

এদিকে শহরের কালীনাথ রায়েরবাজার, বাংলা স্কুল মোড়, বরিশাল দালান, কালিখোলা, সরকারি স্কুলের মোড়, ইলিশা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে। এ ছাড়া র‍্যাব ও পুলিশের একাধিক টহল গাড়ি সাইরেন বাজিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করেছে।

ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনায়েত হোসেন বলেন, র‍্যাব ও পুলিশ মিলিয়ে সাতটি দল শহরে টহল দিচ্ছে। তবে সকাল সাড়ে নয়টা পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এখন পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন