ডেপুটি জেলার হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘কারাগারে থাকা যেকোনো আসামি আবেদন করতে পারেন। ওই আসামি মুন্নু হিসেবে এসেছেন। তিনি আমার সামনে মুন্নু নামে সই করেছেন। আর তিনি প্রকৃতপক্ষে মুন্নু নাকি বিজন, না অন্য কেউ, তা আদালত নির্ধারণ করবেন। আদালত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। তিনি আমার সামনেই দরখাস্ত লিখেছেন। আমি তা সত্যায়িত করেছি।’

চাঁদাবাজি ও অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল পাংশা থানায় একটি মামলা করেছিলেন পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন বিশ্বাস। এ মামলায় উপজেলা যুবলীগের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক ফজলুল হকসহ (৪০) সাতজনের নাম উল্লেখ ও তিন-চারজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। মামলার ৭ নম্বর আসামি ছিলেন পারনারায়ণপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম ওরফে মুন্নু। গত বৃহস্পতিবার রবিউল ইসলামের পরিবর্তে আদালতে হাজির হন বিজন কুমার হালদারসহ অন্য আসামিরা। আদালতের বিচারক জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে বিজনসহ অন্যদের কারাগারে পাঠান।

রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) উজির আলী শেখ বলেন, ‘বিজন কুমার হালদার আবেদনপত্রের মাধ্যমে মুন্নু নাম ধারণ করার কথা স্বীকার করেছেন। আমি মনে করি, তাঁর এই আবেদন দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি হিসেবে প্রযোজ্য হবে। আমি আশা করব, আদালত এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। আদালতের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। এটি একটি অমার্জনীয় অপরাধ। আবেদনপত্রটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন