তারেক রহমান আগামী রোববার বগুড়া সফরে আসছেন

তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী রোববার বগুড়ায় যাচ্ছেন। ১৯ বছর পর দলের প্রধান পৈতৃক জেলা সফরে আসছেন বলে জানিয়েছেন বগুড়া জেলা বিএনপির রেজাউল করিম (বাদশা)। লন্ডনে প্রায় দেড় যুগের নির্বাসন শেষে দেশে ফেরার পর এটাই ঢাকার বাইরে তাঁর প্রথম সফর।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম বারের মতো তারেক রহমান বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী। পাশাপাশি তিনি ঢাকা–১৭ আসনেও দলের প্রার্থী। বগুড়ার গাবতলীতে তাঁর বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পৈতৃক বাড়ি। ১৯৯১ সালের পর থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দলের প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং প্রতিটি নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান ২০০৬ সালে সর্বশেষ বগুড়া সফরে আসেন। দলীয় প্রধানের সফর সম্পর্কে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘১১ জানুয়ারি সকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশানের বাসা থেকে বগুড়ার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। বগুড়ায় পৌঁছার পর তিনি ওই দিন সেখানে রাত্রিযাপন করবেন। পরদিন বগুড়া জেলা বিএনপি আয়োজিত সদ্যপ্রয়াত দলীয় চেয়ারপারসনের রুহের মাগফিরাত কামনায় গণদোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করবেন। এ ছাড়া বগুড়া থেকে সড়কপথে রংপুর যাবেন। সেখানে জুলাই শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন।’

জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন বলেন, ‘তারেক রহমান রোববার বগুড়ায় পৌঁছে বিকেলেই রংপুর শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করতে যাবেন, নাকি পরদিন বগুড়ায় কর্মসূচি শেষে রংপুরে রওনা করবেন, সেটি আজ বিকেলে গুলশান কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হবে। বগুড়া জেলা বিএনপি আয়োজিত সদ্যপ্রয়াত দলীয় চেয়ারপারসনের রুহের মাগফিরাত কামনায় গণদোয়া মাহফিল বগুড়ার ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।’

আরও পড়ুন

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সাল পর্যন্ত সব কটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে ১৯৯৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত চারবার সংসদ সদস্য হন খালেদা জিয়া। ২০১৪ সালে এ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জাপার নুরুল ইসলাম বিজয়ী হন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তবে তিনি শপথ না নেওয়ায় উপনির্বাচনে বিএনপির গোলাম মো. সিরাজ বিজয়ী হন। পরে দলীয় সিদ্ধান্তে পদত্যাগ করলে আরেকটি উপনির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান বিজয়ী হন। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও তিনি জয়ী হন।

আরও পড়ুন