এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) ও ফরিদপুর বিভাগীয় গণসমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক শামা ওবায়েদ, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক নায়াব ইউসুফ, কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) মো. সেলিমুজ্জামান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ কে কাইয়ুম, জেলা বিএনপি সদস্যসচিব এ কে কিবরিয়া প্রমুখ।

পরে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ কে কিবরিয়া প্রথম আলোকে বলেন, তাঁরা সমাবেশের জন্য সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের মাঠ প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপার তাদের রাজেন্দ্র কলেজে মাঠের অনুমতি দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ফরিদপুর শহরের মধ্যে এ জাতীয় বড় কোনো সমাবেশ করার সুযোগ নেই জানিয়ে শহর থেকে অন্তত ছয় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত কোমরপুর আবদুল আজিজ ইনস্টিটিউট মাঠে এ সমাবেশ করার প্রস্তাব দেন পুলিশ সুপার।

এ কে কিবরিয়া আরও বলেন, তাঁরা যেকোনো মূল্যে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের মাঠেই গণসমাবেশ করবেন। এ ক্ষেত্রে কেউ অনুমতি দিল কি দিল না, সে অপেক্ষায় তাঁরা আর বসে থাকবেন না।

জানতে চাইলে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোহাম্মদ ইমদাদ হুসাইন প্রথম আলোকে বলেন, শহরের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয় এ জন্য বিএনপিকে শহরের মধ্যে অবস্থিত সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি বর্তমানে এইচএসসি পরীক্ষার চলছে। কলেজ মাঠে সমাবেশ করতে দেওয়া হলে দু–তিন দিন ওই মাঠে জনসমাগম হওয়ায় শহরে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে সদ্ভাব না থাকায় নানা রকম অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। ফলে পুলিশ প্রশাসন শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের মাঠে বিএনপি গণসমাবেশের অনুমতি দেয়নি।

মোহাম্মদ ইমদাদ হোসাইন বলেন, বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে বিএনপিকে শহরের বাইরে অবস্থিত কোমরপুর আবদুল আজিজ ইনস্টিটিউটের মাঠে সমাবেশ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।