এদিকে সাংবাদিক হাসিবুর হত্যা ঘটনার প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে কুষ্টিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। জেলা প্রশাসক ও এসপির কার্যালয় ঘেরাওসহ বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশে হাসিবুর হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকাকে ‘রহস্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিকেরা। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৪ জুলাই আমরণ অনশন করার ঘোষণা দিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।

প্রসঙ্গত, ৩ জুলাই রাত নয়টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের সিঙ্গার মোড়ে পত্রিকা অফিসে ছিলেন হাসিবুর। তখন মুঠোফোনে একটি কল পেয়ে অফিস থেকে বের হয়ে যান। এর পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। তাঁর মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে তাঁর পরিবার। এর চার দিন পর ৭ জুলাই দুপুরে কুমারখালী পৌরসভার তেবাড়িয়া এলাকায় গড়াই নদে নির্মাণাধীন গোলাম কিবরিয়া সেতুর নিচ থেকে হাসিবুরের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৮ জুলাই রাতে হাসিবুর রহমানের চাচা মিজানুর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কুমারখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

নিহত হাসিবুর কুষ্টিয়া জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, স্থানীয় দৈনিক কুষ্টিয়ার খবর পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের নতুন সময় পত্রিকার কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ঠিকাদার ছিলেন। তিনি কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এ ব্লক এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন