সাগরে প্রায় চার ঘণ্টা বিকল থাকার পর তিন শতাধিক পর্যটক নিয়ে জাহাজ ফিরল টেকনাফে
সেন্ট মার্টিন থেকে রওনা দিয়ে এমভি কাজল নামের একটি জাহাজ বুধবার বিকেলে সাগরে বিকল হয়ে পড়ে। এ সময় তিন শতাধিক পর্যটকসহ সাগরে ভাসতে থাকে জাহাজটি। প্রায় চার ঘণ্টা পর জাহাজটির ইঞ্জিন চালু হলে পর পর্যটকদের নিয়ে টেকনাফে আসতে সক্ষম হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, এমভি কাজল জাহাজটি আজ সকালে ২৭০ জন পর্যটক নিয়ে সেন্ট মার্টিনে আসে। এর মধ্যে দেড় শতাধিক পর্যটক ও আগের দিন আসা দেড় শতাধিক নিয়ে জাহাজটি বেলা তিনটার দিকে সেন্ট মার্টিন জেটিঘাট থেকে টেকনাফের উদ্দেশে রওনা দেয়। প্রায় ৪০ মিনিট চলার পর হঠাৎ করে জাহাজটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে নাইক্ষ্যংদিয়ার কাছে জাহাজটি ভাসতে থাকে। জাহাজটি বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে টেকনাফের দমদমিয়া জাহাজঘাটে পৌঁছানোর কথা ছিল। অনেক চেষ্টার পর রাত ৭টা ২৫ মিনিটে জাহাজের লোকজন এর ইঞ্জিনের ত্রুটি মেরামত করতে সক্ষম হন। পরে ৭টা ৪০ মিনিটে এটি টেকনাফে পৌঁছেছে।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফের ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. জহির উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘এমভি কাজল জাহাজটি বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় দিকে ২৭০ জন যাত্রী নিয়ে টেকনাফের দমদমিয়া ঘাট থেকে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। সেন্ট মার্টিন থেকে বিকেলে তিন শতাধিক পর্যটক নিয়ে আবার টেকনাফের উদ্দেশে রওনা দেয়। পথে জাহাজটির কী সমস্যা হয়েছে, এর কিছুই জাহাজ কর্তৃপক্ষ বলছে না। যতটুকু জেনেছি, জাহাজটির ইঞ্জিন মেরামত করার কাজ চলছে। হয়তো কিছুক্ষণের মধ্য রওনা হতে পারে।’
গত রোববার টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে চলাচলকারী পর্যটকবাহী জাহাজ এমভি গ্রিন লাইন-১ মাঝসাগরে ৫৪ জন পর্যটকসহ আটকা পড়েছিল। এ সময় চার ঘণ্টা ধরে জাহাজটি বিকল অবস্থায় সাগরে ভাসছিল। পরে কোস্টগার্ডের সদস্যরা পর্যটকদের উদ্ধার করেন।