পাইকারিতে আলু ৪০, পেঁয়াজ ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, পাঁচ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
সরকার-নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে আলু ও পেঁয়াজ বিক্রির দায়ে মানিকগঞ্জে অভিযান চালিয়ে পাঁচ ব্যবসায়ীকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে দুটি পাইকারি বাজারে (আড়ত) জেলা প্রশাসন ও জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।
জরিমানা করা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভাটবাউর আড়তের মিজানুর রহমানকে দুই হাজার টাকা, লাল চানকে তিন হাজার ও মো. শাহিনকে দুই হাজার এবং জাগীর আড়তের সানোয়ার হোসেনকে দুই হাজার ও আতিকুর রহমানকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
১৪ সেপ্টেম্বর সরকার পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি আলুর দাম ২৬ থেকে ২৭ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। তবে ভোক্তাদের কাছে সরকার-নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে আলু ও পেঁয়াজের দাম বেশি রাখা হচ্ছিল। জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জরিমানা আদায় করা পাইকারি ব্যবসায়ীরা আলু ৪০ টাকা ও পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছিলেন।
খবর পেয়ে আজ সকাল সাড়ে সাতটার দিকে জাগীর কাঁচামালের আড়তে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এতে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল এবং জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল। অভিযানে সহায়তা করে সদর থানার পুলিশের একটি দল।
এরপর মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার হিজুলিতে আম্বালা হিমাগারেও অভিযান চালানো হয়। অভিযানে হিমাগার থেকে বের করা ২১ টন আলু সরকার-নির্ধারিত মূল্যে জেলার পাইকারি বাজারে বিক্রির জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, সরকার-নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে আলু ও পেঁয়াজ বিক্রির অভিযোগে পাঁচ পাইকারি ব্যবসায়ীকে জরিমানার পাশাপাশি আলু রাখার হিমাগারেও অভিযান চালানো হয়েছে। হিমাগার থেকে সরকার–নির্ধারিত মূল্যে আলু বিক্রি করা হচ্ছে কি না, তা জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত দেখভাল করবে। জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে।