এর আগে গতকাল বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়ার কর্মসূচির সময় বিএনপির নেতা–কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৩টি গুলি ছোড়ে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের স্টেশন রোডের জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় পুলিশ আবু নাছের ও সাইফুল ইসলামসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বলেন, গতকাল বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়ার কর্মসূচিতে যুবদলের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে যোগ দিতে গেলে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে বিনা উসকানিতে পুলিশ ব্যানার কেড়ে নিয়ে মিছিলকারীদের লাঠিপেটা ও গুলি করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় জেলা যুবদলের সভাপতিসহ অন্তত ১৮ জন নেতা-কর্মী আহত হন। বিনা কারণে যাঁরা পুলিশের মারধরের শিকার হলেন, এখন আবার তাঁদের বিরুদ্ধেই মামলা দিয়ে উল্টো হয়রানি করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ দাউদ বলেন, বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপনের নামে বিএনপি ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা নৈরাজ্যের সৃষ্টি করেছিলেন। মিছিল থেকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করায় তিনি নিজে তাঁদেরকে নিবৃত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু নেতা-কর্মীরা আরও বেপরোয়া হয়ে তাঁর দিকে চেয়ার ও ইটপাটকেল ছুঁড়তে শুরু করেন। এ ঘটনায় তিনিসহ পুলিশের অন্তত ১২ জন সদস্য আহত হন। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় সন্ত্রাস দমন আইনে পুলিশের পক্ষ থেকে এ মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।