কয়রা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইব্রাহিম আলী প্রথম আলোকে বলেন, ওই নারীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো অজ্ঞাতনামা আসামি নেই। গতকাল রাতেই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ওই নারীর শ্বশুরবাড়ি ও বাবার বাড়ি একই এলাকায়। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ১১ জুলাই ঈদের পরদিন সকালের দিকে ওই নারীর বাবার বাড়ির জমিতে ঘর বাঁধতে যান চাচা ও চাচাতো ভাইয়েরা। ওই দিন বাড়িতে কেউ ছিলেন না। এ কারণে ওই নারী ঘর বাঁধতে বাধা দেন। এ সময় তাঁকে মারধর করে বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তার পাশে থাকা গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ কল পেয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর ওই নারীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠায় পুলিশ। প্রথমে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকেরা। বর্তমানে ওই নারী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন