সুনামগঞ্জে সড়কে তিনজন নিহতের ঘটনায় বাসের চালক গ্রেপ্তার
সুনামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীসহ তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় বাসচালককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব (র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজী এলাকায় সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের পাশ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই বাসচালকের নাম জাকির আলম (৩৫)। তিনি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার মাহতাবপুর গ্রামের আবদুল কুদ্দুসের ছেলে।
র্যাব-৯–এর মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাতে র্যাবের সিলেট সদর ও সুনামগঞ্জ সিপিসি-৩–এর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে জাকির আলমকে গ্রেপ্তার করেছেন।
গত বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের পাশে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। তাঁরা হলেন স্নেহা চক্রবর্তী যিনি বুধবার সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সুবিপ্রবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগে ভর্তি হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনিস্টিটিউটের দ্বিতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী আফসানা জাহান ওরফে খুশি এবং সুনামগঞ্জ পৌর শহরের আলীপাড়া এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম (৭৩)।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ও সুনামগঞ্জ পৌর শহরে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার লোকজন।
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার শান্তিগঞ্জে সুনামগঞ্জ টেক্মটাইল ইনস্টিটিউটে অবস্থিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বছর পাঠদান শুরু হয়। এবার দ্বিতীয় ব্যাচে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হচ্ছেন। অনেক শিক্ষার্থী জেলা শহর থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরের ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করেন।