আজ বুধবার সন্ধ্যায় বাগেরহাটের শেখ হেলাল উদ্দিন স্টেডিয়ামে জেলা যুবলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওই সংসদ সদস্য এসব কথা বলেন।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হেলাল বলেন, ‘শোনেন, আমাদের মরে যেতেই হবে। টাকাপয়সা দিয়ে কী হবে? চাঁদাবাজি করে কী হবে? যদি আমরা সুনামের সাথে মানুষের পাশে থেকে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে পরি, তবেই মানুষ মনে রাখবে। মানুষের দোয়া-ভালোবাসা কিন্তু টাকা দিয়ে কিনতে পারবেন না।’

এর আগে আজ বেলা তিনটায় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাগেরহাট জেলা যুবলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলনে যোগ দিতে সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে যুবলীগের নেতা–কর্মীরা স্টেডিয়ামে আসতে থাকেন। দুপুরের মধ্যে ভরে যায় সম্মেলনস্থল।

বাগেরহাট জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সরদার নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ।

নেতা–কর্মীদের চাঁদাবাজি বন্ধের নির্দেশ দিয়ে যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, সাংগঠনিক পদ-পদবী শুধু সাংগঠনিক কাজে ব্যবহার করতে হবে। সময় এসেছে নিজেদের পরিবর্তন করার। চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। টেন্ডারবাজি বন্ধ করুন, মাস্তানি-রংবাজি বন্ধ করুন। মানুষকে অত্যাচার–নিপীড়ন করা যাবে না। বরং কোথাও অন্যায়–অবিচার দেখলে তার প্রতিবাদ করতে হবে।

সম্মেলনে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ কামরুজ্জামান টুকু বলেন, ‘বিএনপিকে ভয় পাওয়ার কারণ নেই। লড়াই করেই বিএনপিকে মাঠে পরাজিত করব আমরা।’

সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়, বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য বেগম হাবিবুন নাহার, সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।