জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রতিপক্ষের উপর্যুপরি কোপের আঘাতে খুন হন নাছির উদ্দিন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্য আবুল কালাম ও আবদুল জলিলের নির্দেশে নাছির উদ্দিনের ঘাড়ে ও ঊরুতে কোপ দেন আসহাব উদ্দিন, মোজাফ্ফর আহমদ, আসমাউল হোসনা ও হাজেরা খাতুন। সাকের হোসেন ও জাহেদুল ইসলাম মৃত্যু নিশ্চিত করতে লাঠি ও রড দিয়ে তাঁকে পেটান।

নিহত নাছির উদ্দিনের ছেলে মো. রাসেলের দাবি, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাঁর বাবা খুন হলেও এজাহারে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে শুধুই পূর্বশত্রুতার জেরে খুনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্য আবদুল জলিলের বাবা উকিল আহমদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন নাছির উদ্দিন। আবুল কালাম গত বছর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে নাছির উদ্দিনকে পরাজিত করে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন।
ইউপি সদস্য আবুল কালাম দাবি করেন, ‘প্রতিহিংসার কারণে আমাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে আমার বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা নেই।’

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরহাদ আলী বলেন, নাছির খুনের ঘটনায় আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে মামলার ৩ নম্বর আসামি আসমাউল হোসনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছে। নিরপরাধ কেউ আসামি হলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগপত্র থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হবে।