প্রতিনিধি দলে ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বীর বিক্রম মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, জাসদের সভাপতি সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, গণআজাদী লীগের এস কে সিকদার, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের অসিত বরণ রায়, জাতীয় পার্টির মুক্তার হোসেন, বাসদের (রেজা) রেজাউর রহমান খান, তরিকত ফেডারেশনের মুহাম্মদ আলী ফারুকি।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবাস চন্দ্র বোস, সাধারণ সম্পাদক মো. নিজামউদ্দিন খান, লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র সৈয়দ মসিয়ূর রহমান, লোহাগড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী বনি আমিন এবং আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন বলেন, ঘটনার শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এখানকার সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা সব সময় মানুষের পাশে আছেন। অন্য আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর, দোকান, মন্দির সংস্কারের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সব সময় ১৪ দল মানুষের পাশে থাকবে। কে সংখ্যালঘু বা কে সংখ্যাগুরু এসব কোনো হিসাব নেই। হিসাব একটাই, বাংলাদেশের নাগরিক।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, পদ্মা সেতুতে উঠে মনটা আনন্দে ভরে উঠেছিল। আবার সাহাপাড়ায় এসে মনটা ব্যথিত হয়ে গেল। যারা নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে আগুন দিল, ওই অপশক্তিকে একাত্তরের মতো রুখে দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, ধারাবাহিক ঘটনা। কখনো কখনো এগুলো জামায়ত-বিএনপি ঘটাচ্ছে। কখনো কখনো ঘরের শত্রু। এটা বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।

সভায় ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্রকে সম্মিলিতভাবে রুখে দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার জেরে গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর কয়েকটি দোকান ভাঙচুর ও একটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধ লোকজন। তখন একটি মন্দির ভাঙচুর করা হয়। হামলা হয় পারিবারিক মন্দিরেও। এর আগে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া অভিযুক্ত তরুণের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন তাঁরা। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিপেটা করে ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। রাত সাড়ে নয়টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন