অব্যাহতির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জন্ম ও মৃত্যুসনদের জন্য অতিরিক্ত ফি আদায়, জন্ম ও মৃত্যুসনদে ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের স্বাক্ষর জাল করা, একই ব্যক্তির নামে একাধিকবার ভুল জন্ম ও মৃত্যুসনদ প্রদান, সনদ সংশোধনের নামে একাধিকবার অর্থ আদায়, ইউনিয়ন পরিষদে আসা সেবাপ্রত্যাশীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করাসহ বিভিন্ন অভিযোগে উদ্যোক্তা মহিদুল ইসলামকে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

দিওড় ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় ইউএনওর দাপ্তরিক আদেশের চিঠি পেয়েছেন। মহিদুল ইসলামকে তাঁর কাছে থাকা ইউপির সব কাগজপত্র বুধবার সকালে জমা দিতে বলা হয়েছে। সব কাগজপত্র বুঝে নিয়ে তাঁকে দাপ্তরিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ৯ ইউপি সদস্যের অনাস্থা প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার দিওড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মালেককে অপসারণ করে চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।