নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিলেট মহানগর পু‌লিশের এক কর্মকর্তা বলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে বিচারকের কাছে আবদুল্লাহকে ‘অপ্রাপ্তবয়স্ক’ বলে উপস্থাপন করে জা‌মিন প্রার্থনা করেছেন। পরে আদালতের বিচারক তাঁর জা‌মিন মঞ্জুর করেন।

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহ মো. মোশা‌হিদ আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। সিলেট মহানগর আদালতের সহকারী সরকা‌রি কৌঁসু‌লি খোকন কুমার দত্তের মুঠোফোন নম্বরেও একাধিকবার কলে দেওয়া হলেও তি‌নি সাড়া দেননি। এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিশেষ সরকা‌রি কৌঁসু‌লি রা‌শিদা সাইদা খানমের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তাঁর নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে।

জানতে চাইলে সিলেট কোতোয়া‌লি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, দুটি মামলায় আসামি আবদুল্লাহর জা‌মিন হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। তবে আদালত থেকে নির্দেশনার কোনো কপি তিনি এখনো পাননি। আদালত থেকে নির্দেশনা পেলে বিস্তারিত জানা যাবে এবং পরবর্তী আইনি কার্যক্রমে যাওয়া যাবে।

১ আগস্ট সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের দুই ছাত্রের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ৩০ জুলাই রাতে হাসপাতালে রোগীর স্বজন পরিচয়ে কয়েকজন তরুণ কর্তব্যরত এক শিক্ষানবিশ চিকিৎসকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অশালীন আচরণ করেন। পরে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা তাঁদের আটক করে পুলিশের কাছে দেন। এ ঘটনার জেরে সোমবার রাতে মেডিকেল কলেজের ফটকের পাশে দুই ছাত্রের ওপর হামলা চালানো হয়।

হামলার ঘটনায় ২ আগস্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিলেট কোতোয়ালি থানায় পৃথক দুটি মামলা করে। শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ এবং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে করা দুটি মামলাতেই আবদুল্লাহ এজাহারভুক্ত আসামি।