সমাবেশের মঞ্চে আরও উপস্থিত আছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ও তাহসীনা রুশদীর, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হাসান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী প্রমুখ।

দুপুর পৌনে ১২টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাজ্জাক, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী ও মিজানুর রহমান চৌধুরী, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি হারুন আল রশীদ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, জাতীয়তাবাদী সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাধারণ সম্পাদক হেলাল খান প্রমুখ।

সুলতান সালাহউদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশে এই সরকার ভোটচোর হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিতি লাভ করেছে। মানুষ ভোটচোর বললেই শেখ হাসিনার নাম বলে।’

আফরোজা আব্বাস বক্তৃতায় বলেন, ‘এখন আমরা আর কা কা করব না। এখন আমরা না না করব। এই না না হচ্ছে এই অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে। এই দল গুম-খুনের রাজনীতি করছে।’

সমাবেশ যৌথভাবে সঞ্চালন করছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব মিফতাহ্ সিদ্দিকী, যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও ফরহাদ চৌধুরী শামীম। স্থানীয় নেতাদের অনেকে এ সময় বিএনপির ‘নিখোঁজ’ সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান চান।

স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বলেন, বিএনপির প্রথম গণসমাবেশ হয় গত ১২ অক্টোবর চট্টগ্রামে। এরপর ময়মনসিংহ, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও ফরিদপুরে সমাবেশ করেছে বিএনপি। সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে গতকাল শুক্রবার ৪৮ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়েছে। অন্যদিকে সিলেট জেলায় আজ সকাল ছয়টায় পরিবহন ধর্মঘট শুরু হয়। এ ধর্মঘট চলবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত। তবে ধর্মঘট উপেক্ষা করে অনেকে মোটরসাইকেলে কিংবা সিএনজিচালিত অটোরিকশা করে অথবা হেঁটেই সমাবেশে এসেছেন।