পাথরঘাটা পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ আজ রাতে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আজ রাত আটটায় তিনটি ট্রলার ও জাহাজে করে পৌর বিএনপির ৭৫০ জনের মতো নেতা-কর্মী রওনা হয়েছি। এর আগে তিন দিন ধরে পাথরঘাটা পৌর বিএনপির অন্তত আরও এক হাজার নেতা-কর্মী বরিশালে গেছেন।’

আরেকটি ট্রলারে থাকা পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী মো. ফারুক মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, উপজেলা বিএনপির পাঁচ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী সমাবেশের এক দিন আগে মাঠে থাকবেন।

পাথরঘাটা থেকে আজ রাত আটটায় ছেড়ে যাওয়া ট্রলারে আছেন পাথরঘাটা পৌর বিএনপির সদস্যসচিব ইসমাইল সিকদার। মুঠোফোনে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের এ ট্রলারে ২৬০ জন নেতা-কর্মী রয়েছেন। সবাই রাতে রুটি, ভাজিসহ শুকনা খাবার খাবেন। সকালে খিচুড়ি খেয়ে আমরা মাঠে অবস্থান নেব। এ দুই দিনের খাবার আমরা ট্রলারে রান্না করব এবং ট্রলারে রাত যাপন করব। দলের দুর্দিনে নেতা-কর্মীরা আনন্দের সঙ্গে সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন।’

বরগুনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তালিমুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার আমাদের সমাবেশে যোগদানে বাধা দিতে নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়েছে। আমরা ঘর থেকে বাইরে রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কৌশলে নদীপথে এবং আগেভাগে সড়কপথে বরিশালে এসেছেন নেতা-কর্মীরা।’

বরগুনা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহবুবুল আলম ফারুক মোল্লা বলেন, ‘আজ রাত ১২টার আগে বরগুনা জেলার পাথরঘাটা, বামনা, বেতাগী, আমতলী, তালতলী ও বরগুনা সদর উপজেলা থেকে বরিশালের গণসমাবেশে অন্তত ২২ হাজার নেতা-কর্মী উপস্থিত থাকবেন। সরকার বাস ও লঞ্চ মালিক সমিতি দিয়ে আমাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ওই ফাঁদে আমরা পা না দিয়ে আগেভাগে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছি।’