শেরপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম হত্যার ঘটনায় হওয়া মামলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মাহমুদুল হাসান (৩৪)। তিনি ঝিনাইগাতী উপজেলার বনকালী এলাকার গেসু মিয়ার ছেলে। মাহমুদুল ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। এ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তিনি।
পুলিশ জানায়, গতকাল সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় বনগাঁও এলাকার একটি বিল থেকে মাহমুদুল হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিজানুর রহমান ভূঁঞা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিকে আজ মঙ্গলবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
গত ২৮ জানুয়ারি ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ৩০ জানুয়ারি রাতে নিহত ব্যক্তির স্ত্রী মারজিয়া ঝিনাইগাতী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হকসহ ২৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েক শ জনকে আসামি করা হয়।