এ ঘটনার পর দুই পক্ষের পরিবারের সদস্যই রাজশাহীতে এসেছে। ছাত্রীর বাবা লিয়াকত জোয়ার্দার, চাচা দুলাল হোসেন, বোন জামাই হাফিজুর রহমান ও ছেলের বাবা ইউনুস আলী রাজশাহীতে এসেছেন।

ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে থেকে দুজনের প্রেম ছিল। বিষয়টি উভয় পরিবারকে জানানো হয়। ছেলের পরিবারের পক্ষ থেকে শর্ত দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারলে বিয়ে হবে। দুজনেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এরপর তাঁদের বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর রিক্তা আক্তারকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেনে নেয়নি বলে অভিযোগ তাঁদের।

রিক্তা আক্তারের বাবা লিয়াকত জোয়ার্দার বলেন, বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির লোকজন রিক্তাকে গৃহবধূ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। এ কারণে তাঁর মেয়ে ওই বাড়িতে যেত না। তিনিই মেয়ের খরচ বহন করতেন। তিনি মেয়েকে একটি মুঠোফোন কিনে দিয়েছেন, সেটিও তাঁর স্বামীর কাছে থাকত। নিজের মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাঁর স্বামীর মাধ্যমে কথা বলতে হতো। তাঁর মেয়ে আত্মহত্যা করেননি। তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ এ বাবার।

তবে আবদুল্লাহ ইশতিয়াকের বাবা ইউনুস আলী বলেন, তাঁর ছেলে ও পুত্রবধূ দুজনেই লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকত। এ কারণে পুত্রবধূ ঝিনাইদহে কম আসত। তবে দুই-তিনবার এসেছে। ছেলেও যেত। গত বৃহস্পতিবার তিনি রাজশাহীতে গিয়েছিলেন। তাঁদের কাছে থেকেছেন। তাঁদের মধ্যে কোনো মনোমালিন্য ছিল না। তাঁরা দুজনেই তাঁকে আপ্যায়ন করেছেন।

নগরের মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার আলী তুহিন বলেন, ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী আবদুল্লাহ ইশতিয়াককে থানায় আনা হয়। এরপর মামলা হলে তাঁকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের বিষয়ে ওসি বলেন, ময়নাতদন্ত হয়েছে। এখনো তাঁরা প্রতিবেদন পাননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন