এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে গোলাম নবী আলমগীর নিজের বাসায় দলের নেতাদের নিয়ে জরুরি সভা করে হরতালের ঘোষণা দেন। এরপর আজ সকাল থেকে ভোলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শুরু হয়। হরতালের কারণে সকাল থেকে শহরের সদর রোড, খেয়াঘাট সড়ক, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল সড়ক, ইলিশা সড়ক, মুসলিমপাড়া সড়ক, ভোলা-চরফ্যাশন সড়কে সব ধরনের যান চলাচল প্রায় বন্ধ ছিল। তবে শহরের বাইরে হরতাল শিথিল রেখেছিল বিএনপি। ফলে, সকাল থেকে শহরের বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড থেকে দূরপাল্লার গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে সকাল থেকে শহরের দোকানপাটগুলো খুলতে দেখা যায়নি।

ভোর থেকে শহরের সদর রোডের মহাজনপট্টি এলাকায় জেলা বিএপির কার্যালয়ের সামনে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত রোববার গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে ভোলা জেলা বিএনপি প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে। জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শেষে আড়াই শতাধিক নেতা-কর্মী বিক্ষোভ মিছিল করতে রাস্তায় নামলে পুলিশ লাঠিপেটা করে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিতে আবদুর রহিম মাতব্বর নামের স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা নিহত হন এবং অনেকে আহত হন। ওই সংঘর্ষে আহত ভোলা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. নুরে আলম গতকাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই সংঘর্ষের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হলো।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন