হাসপাতালের সহকারী পরিচালক জাকারিয়া রানা প্রথম আলোকে বলেন, নিউরোসার্জারি বিভাগে অস্ত্রোপচারের পর অচেতন অবস্থায় ওই রোগীকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাঁর চিকিৎসায় নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান সুশান্ত কুমার সরকারকে প্রধান করে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু চার দিনেও তাঁর জ্ঞান ফেরেনি। আজ সকাল নয়টার দিকে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়া জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল বাসেদ বলেন, আবদুল বারী জেলা আদালতে ফজলুল বারী নামের এক জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর অধীন কাজ করতেন। তিনি বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য এবং বিএনপি–সমর্থিত আইনজীবীদের সঙ্গে মিশতেন। হামলার কয়েক মিনিট আগে বগুড়া জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের সফলতা কামনা করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসও দেন শিক্ষানবিশ এই আইনজীবী।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, মঙ্গলবার সকালে আদালতের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে চকফরিদ উত্তরপাড়ার গলির ভেতর হামলার শিকার হন আবদুল বারী। জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কুপিয়ে একটি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী রুনা মাহমুদ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ওই দিনই থানায় মামলা করেন। পুলিশ ইতিমধ্যে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করেছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।