এদিকে একই সময়ে নগরের সদর রোডে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করেছে মহানগর ও দক্ষিণ জেলা যুবদল। এ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ও সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির, জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সদস্যসচিব আকতার হোসেন। জেলা যুবদলের (দক্ষিণ) সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আহম্মেদের সঞ্চালনায় সমাবশে আরও বক্তব্য দেন মহানগর যুবদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কামরুল হাসান ও মাসুদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, জেলা যুবদলের (দক্ষিণ) সহসভাপতি সালাউদ্দিন নাহিদ ও মো. হাবিবুল্লাহ।

বক্তারা বলেন, এই অবৈধ সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। অথচ দেশের জনগণের মৌলিক অধিকারের দিকে সরকারের কোনো খেয়াল নেই। তাই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে শিগগিরই এ সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে।

অশ্বিনীকুমার হলের সামনে আয়োজিত পৃথক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা (উত্তর) যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফুয়াদ দেওয়ান, সোহানুর রহমান, আনিসুর রহমান ও শাহ আলম, সদস্যসচিব গোলাম মোরশেদ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নিজেদের বেসামাল অবস্থা বুঝতে পেরে এখন যেখানেই বিএনপি মিছিল-সমাবেশ ডাকছে, সেখানেই বিনা উসকানিতে পুলিশ দিয়ে গুলি চালাচ্ছে। একের পর এক এমন হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে সরকার ক্ষমতা আঁকড়ে থাকতে চায়। কিন্তু সেই ২০১৮ সালের রাত্রিকালীন ভোটের দিবাস্বপ্ন আর বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না। প্রতিটি গুলির হিসাব নেওয়া হবে। প্রতিটি মৃত্যুর হিসাব দিতে হবে।

সমাবেশ শেষে বেলা সাড়ে ১১টায় যুবদলের নেতা-কর্মীরা অশ্বিনীকুমার হলের সামনে থেকে সদর রোডে মিছিল বের করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিলে মিছিলটি পণ্ড হয়ে যায়।

তবে বরিশাল কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিমুল করিম বলেন, তাঁরা কোনো ধরনের বাধা দেননি। বিশৃঙ্খলা যাতে না হয়, সে জন্য সেখানে তাঁরা উপস্থিত ছিলেন।