এর আগে গত বৃহস্পতিবার আবুধাবি থেকে সরাসরি বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সিলেটে আসেন সরোয়ার হোসেন। এরপর ওই যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় বিমানবন্দরে নিয়োজিত জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার (এনএসআই) সদস্যরা তাঁর দেহ তল্লাশি করে দুটি সোনার বার ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেন। একপর্যায়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর পরিধেয় কাপড়ে গলানো সোনা রয়েছে বলে স্বীকার করেন সরোয়ার। পরে গোয়েন্দা সদস্যরা তাঁকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।

পরে সরোয়ারের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া কাপড়গুলো সিলেটের জিন্দাবাজারে স্বর্ণকার, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য এবং কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে গলানো অবস্থায় আনা আরও ৫২৯ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়। এর আগে দুটি সোনার বারে ২৩৪ গ্রাম এবং ১০০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালংকার অবৈধভাবে নিয়ে আসার সময় সরোয়ারের কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছিল।