পরিচালকের অনুপস্থিতিতে উপপরিচালক আ ম আখতারুজ্জামানের কাছে চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সমিতির সভাপতি শাহীনুর ইসলাম স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি থেকে জানা যায়, পরিচালক অন্যায়ভাবে ১৫০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ছাঁটাই করেছেন। সেই সঙ্গে কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন তিনি।

স্মারকলিপি পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে হাসপাতালের উপপরিচালক আ ম আখতারুজ্জামান বলেন, ‘পরিচালক স্যারের সঙ্গে এ বিষয়ে বসে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, তা দেখা হচ্ছে।’

চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সভাপতি শাহীনুর ইসলাম বলেন, প্রায় চার মাস আগে যোগদান করা নতুন পরিচালক শরিফুল হাসান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে নানা অজুহাতে কর্মচারীদের সঙ্গে অসহযোগিতা করে আসছেন। প্রতিবাদ করলেই কর্মচারীদের বদলি করার হুমকি দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে অনেককে বদলিও হতে হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিচালকের অপসারণ করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ছাঁটাই এবং তাঁদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ প্রসঙ্গে মুঠোফোনে জানতে চাইলে কোনো সদুত্তর দেননি হাসপাতালের পরিচালক শরিফুল হাসান। প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্টভাবে আমার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলতে পারবে না বলে আমার বিশ্বাস। কেননা আমি মাত্র চার মাস হলো এখানে যোগদান করেছি। আমি হাসপাতালের বিভিন্ন জিনিস ক্রয়ের জন্য ১১টি গ্রুপে প্রায় ১৫ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করেছি, যা নিয়মতান্ত্রিকভাবেই করা হয়েছে। এসব জিনিস হাসপাতালের জন্য জরুরি। এর বেশি কিছু বলার নেই।’