রতি রাম নায়েক ওই চা-বাগানের শ্রমিক গোপেশ নায়েকের ছেলে। এ ঘটনার পর আজ সকাল ১০টার দিকে দর্গানা অলমিককে আটক করেছে পুলিশ। ডবলছড়া চা–বাগানের শ্রমিকেরা পাহারা বসিয়ে দর্গানা অলমিককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এ ঘটনার এক ঘণ্টা পর সুশীল অলমিককে আটক করা হয়। আজ দুপুরে মামলা হলে তাঁদের দুজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা গেছে, দর্গানা অলমিক ও সুশীল অলমিক ওই চা-বাগানের শ্রমিক। গতকাল রাতে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। তাঁদের বাগ্‌বিতণ্ডা তীব্র আকার ধারণ করলে প্রতিবেশী চা-শ্রমিক রতি রাম নায়েক সেখানে গিয়ে বিবাদ মেটানোর চেষ্টা করেন। এ সময় দর্গানা অলমিক ক্ষিপ্ত হয়ে দা দিয়ে রতি রাম নায়েককে এলোপাতাড়ি কোপান। এতে রতি রাম নায়েক গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে শমশেরনগর নগরের ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে ভর্তির পর রাত ১০টার দিকে পর রতি রাম নায়েকের মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে রাতেই শমশেরনগর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আবদুর রহমান বলেন, এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করে মৌলভীবাজার আদালতে পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তাঁর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন