এর আগে শুক্রবার রাতে একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াখালিয়াপাড়ার মোহাম্মদ ইলিয়াসের ছেলে মোহাম্মদ মুবিনুল (১৫) ও একই এলাকার মোহাম্মদ ইসমাইলের ছেলে মোহাম্মদ নূরকে (১৬) ‘কথা আছে’ বলে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ বলেন, অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধার করার জন্য টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে রাত ১০টা পর্যন্ত পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। আরও দুটি বিশেষ দল অভিযানে রয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন, শুক্রবার রাতের ঘটনায় অপহৃত ব্যক্তিদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে রোববার সকালের দিকে পাহাড় থেকে আরও দুজনকে অপহরণ নিয়ে যাওয়ার খবর তিনি পেয়েছেন। বিষয়টি থানা–পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। দুই দিনে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা এক ইউনিয়নের চারজনকে অপহরণ করেছে। এ নিয়ে এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

জানতে চাইলে টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে অপহরণের শিকার দুজন কিশোরকে উদ্ধার করার জন্য অভিযান চলাকালে পাহাড়ের ছনখোলা এলাকা থেকে আরও দুজনকে অপহরণের খবর পেয়েছেন। কিন্তু এ ঘটনায় কোনো ধরনের অভিযোগ পাননি। তারপরও পুলিশের তিনটি দল পৃথকভাবে পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন