গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যার ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ৪

নিহত সাইফুল্লাহ বারীছবি : সংগৃহীত

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীকে হত্যার ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতে মামলা হয়েছে। নিহত সাইফুল্লাহ বারীর বাবা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে সাঘাটা থানায় এ হত্যা মামলা করেন।

মামলায় বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মুকুল মিয়াসহ ৬ জনের নাম উল্লেখসহ ১৪-১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে মুকুল মিয়া প্রধান আসামি।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) পবিত্র কুমার। তিনি মুঠোফোনে জানান, মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে।

এদিকে হত্যার ঘটনায় যুবদল কর্মীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে তিনজন এজাহার নামীয় এবং একজন অজ্ঞাতনামা। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন এজাহার নামীয় সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের বাটি গ্রামের আশরাফ খন্দকার, পার্শ্ববর্তী শিমুল তাইড় গ্রামের রবিউল ইসলাম, বোনারপাড়া গ্রামের শাহ আলম এবং সন্দেহভাজন হিসেবে বোনারপাড়া এলাকার মোফাজ্জল হোসেন।
সাঘাটা থানার পরিদর্শক পবিত্র কুমার আরও বলেন, প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন

গত রোববার বিকেলে একটি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে বিএনপি ও যুবদলের নেতা–কর্মীদের হামলায় শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী (২২) নিহত হন। তিনি উপজেলার শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতির দায়িত্বে ছিলন।

এ ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের এক শিবির কর্মী গুরুতর আহত হন। হামলায় আহত সালাহউদ্দিনকে প্রথমে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে গতকাল রাত একটার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। তাঁর অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।