স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামানের সঙ্গে সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল ফকিরের বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গতকাল বুধবার বিল্লাল ফকিরের সমর্থক গিয়াস তালুকদারকে (৫২) কে কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষ। এ সময় তার ডান হাতের কবজি কেটে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকায় চিকিৎসাধীন আছেন। এর জবাবে আজ ভোরে বিল্লালের সমর্থকরা আখতারুজ্জামানের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালান। এরপর দুপক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের বিষয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল ফকির বলেন, ‘ওখানে কি ঘটনা ঘটেছে তা আমি বলতে পারব না। আমি এখন ফরিদপুরে আছি। তবে শুনেছি বিভিন্ন এলাকার লোক জড়ো করে তাণ্ডব চালিয়েছে আখতারুজ্জামানের সমর্থকেরা। একজন মারা গেছেন বলে শুনেছি। তবে তিনি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন নাকি নিজেদের লোকদের কারণে মারা গেছেন তা আমার জানা নেই।’

কৃষ্ণনগরের বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বলেন, ‘গতকালের ঘটনার জের ধরে বিল্লাল ফকিরের সমর্থকেরা আমার সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে। এতে আমার একজন সমর্থক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া তাঁরা অন্তত ৫০-৬০টি বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট চালিয়েছে এবং একটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।’

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুব্রত গোলদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে বলে শুনেছি। বর্তমানে ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করছে পুলিশ। পরে বিস্তারিত জেনে জানাব।’