হামলার বর্ণনা দিয়ে মিজানুর রহমান বলেন, সাতমাথায় মোটরসাইকেল রেখে তিনি দরকারি কাজ সারতে যান। ফিরে এসে মোটরসাইকেলের কাছে যেতেই কয়েকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করেন। তিনি উপজেলা ইউনিটের দায়িত্বশীল নেতা। তাঁকে এভাবে পেটানো কোনোভাবেই তিনি মেনে নিতে পারছেন না।

মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, জেলা ছাত্রলীগের সদ্য ঘোষিত কমিটির পক্ষে আনন্দমিছিল ও মিষ্টি বিতরণের অভিযোগে সরকারি আজিজুল হক কলেজের ছাত্রলীগ কর্মী সাদেকুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন অতর্কিত হামলা চালায়। বেদম মারধরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে। পরে স্থানীয় ব্যক্তিরা তাঁকে উদ্ধার করে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসক কেটে যাওয়া ঠোঁটে দুটি সেলাই দিয়েছেন। এ ছাড়া মাথা ও বুকে জখম হয়েছে। সাদেকুলসহ হামলাকারীরা ‘পদবঞ্চিত’ তৌহিদুর রহমানের সমর্থক।

সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটির সহসভাপতি তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের কোনো কর্মী-সমর্থক কারও ওপর হামলা করেননি। কাউকে মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন। অযোগ্য কমিটি বাতিলের দাবিতে আমরা শান্তিপূর্ণ লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। আন্দোলন প্রশ্নবিদ্ধ করতে তাঁরা নানা নাটক সাজাচ্ছেন।’

বগুড়া সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) শাহীনুজ্জামান বলেন, হামলার বিষয়ে এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।