নোয়াখালীতে হান্নান মাসউদের স্ত্রী ও ভাইয়ের ওপর হামলার অভিযোগ

হামলার ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে কথা বলছেন হান্নান মাসুদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনীছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া।

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের প্রার্থী হান্নান মাসউদের স্ত্রী ও ভাইয়ের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বুড়িচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আসাদিয়া কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এনসিপির নেতা–কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপির নেতা-কর্মীরা এ হামলায় জড়িত। এতে তাঁদের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপির নেতারা।

জানতে চাইলে হান্নান মাসউদের নির্বাচনে সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকা উপজেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক মো. ইউসুফ প্রথম আলোকে বলেন, হান্নান মাসউদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানাকে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আসাদিয়া কেন্দ্র পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন। ফেরার পথে তাঁদের ওপর হামলা করা হয়। হামলাকারীরা শ্যামলী সুলতানাকে মারধরের পর তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন ফোন কেড়ে নেয়।

এদিকে একই অভিযোগ এনে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন হান্নান মাসউদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনী। নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, তাঁকে রড দিয়ে পেটানো হয়েছে। তাঁকে মারার ভিডিও যিনি ধারণ করেছিলেন, তাঁর ফোনও ভেঙে ফেলা হয়েছে। প্রশাসন এ বিষয়ে নিষ্ক্রিয়।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা বিএনপির নেতারা। জানতে চাইলে উপজেলার বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফজলুল হক খোকন প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত থেকে তারা (এনিসিপি) নানা ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে। কোথাও কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি। পরে রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘হাতিয়ার কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে তাৎক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ভোট গ্রহণ স্বাভাবিক রয়েছে।’